‘আহা সাংবাদিকতা’ ?

14671220_10209530687015939_9108424641611347011_n

মনজুরুল আহসান বুলবুল

হারুন উর রশীদ:
একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল ২২ অক্টোবর তাঁর এক ফেসবুক পোস্টে নিজে ‘ বিব্রত বোধ’ করার কথা বলেছেন। আর তার সেই পোস্টের শিরোনাম ‘আহা সাংবাদিকতা !!!!’। পোস্টে তিনি একটি পত্রিকায় আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে ওই দিনই প্রকাশিত একটি খবরের গঠন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রশ্ন তুলেছেন সংবাদ পরিবেশনের নীতি নিয়ে।
আবার এর দু’দিনের মাথায় সোমবার(২৪.১০.১৬) ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ একটি খবর ছেপেছে। তার শিরোনাম হলো- ‘ বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর রিপোর্টই সত্যি হলো’। এই প্রতিবেদনের একটি লাইন এরকম-‘২২ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর লিড নিউজ ছিল ‘শেখ হাসিনা সভানেত্রী কাদের সম্পাদক হচ্ছেন’। এরপর ঈর্ষাকাতর হয়ে কেউ কেউ মিডিয়া যাজক সেজে এর সমালোচনা করেন।’
আমি সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল-এর ফেসবুক পোস্ট এবং বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনের মধ্যে আদৌ কোনো সম্পর্ক আছে কিনা তা অনুসন্ধানের চেষ্টা করিনি। ধরেই নিয়েছি দু’টি আলাদা ঘটনা। তবে কেউ কেউ তাদের ফেসবুক কমেন্ট-এ সম্পর্ক খোঁজার চেষ্টা করেছেন। সেটা কাকতালীয় বলেই ধরে নিচ্ছি।
তবে আমার আলোচনার সুবিধার জন্য এবং আপনারা যাতে তুলনা করতে পারেন তাই সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল-এর ২২ অক্টোবরের ফেসবুক পোস্ট এবং বাংলাদেশ প্রতিদিনে আজকে(২৪.১০.১৬) প্রকাশিত খবর পর পর হুবহু তুলে ধরছি।

মনজুরুল আহসান বুলবুল-এর ২২ অক্টোবরের ফেসবুক পোস্ট

আহা সাংবাদিকতা !!!!
আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন চলছে।
২২.১০.১৬ তারিখে এক বহুল প্রচারিত দৈনিকের প্রথম পাতার খবর:
লীড স্টোরী: বলা হচ্ছে -‘….. টানা দুবারের সাধারণ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্থলে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদেরকে পরবর্তী দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে । দলের নীতি নির্ধারক ফোরামের একাধিক নেতা ..নিশ্চিত করেছেন।’
নোট: খেয়াল রাখুন ‘নিশ্চিত করেছেন’
এই খবরটির নীচেই আরেকটি খবর : ‘….. তবে খোদ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীই বলছেন, এ সব শোনা কথার গুজব। .. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সেই সিদ্ধান্ত ঘোষনার আগে কোন কিছুই নিশ্চিত নয়।’
নোট: খেয়াল করুন ‘কোন কিছুই নিশ্চিত নয়’
কি বুঝলেন ??
রিপোর্টার না হয় লিখল, সেই পত্রিকার বার্তা সম্পাদক, সম্পাদক কই ?
নিজে ‘বিব্রত বোধ’ করছি।

untitledmmmmm

২২ অক্টোবরের বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশ প্রতিদিন-এ ২৪ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন
বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর রিপোর্টই সত্যি হলো
সমালোচকদের মুখে কালি দিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর রিপোর্টই সত্যি হলো। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হলেন ওবায়দুল কাদের। অন্যরা যা পরে বলে আমরা তা বলি আগে। ২২ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর লিড নিউজ ছিল ‘শেখ হাসিনা সভানেত্রী কাদের সম্পাদক হচ্ছেন’। এরপর ঈর্ষাকাতর হয়ে কেউ কেউ মিডিয়া যাজক সেজে এর সমালোচনা করেন। বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর সংবাদকর্মীরা এক মাস ধরে কাউন্সিল নিয়ে মাঠ থেকে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
‘টেবিলমেড সাংবাদিকতা’ যারা করেন বরাবরই বাংলাদেশ প্রতিদিন এর বাইরে ছিল। আমাদের সংবাদকর্মীদের কঠোর পরিশ্রম ও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিদিন নিশ্চিত ছিল ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন। এ ধরনের সংবাদ পরিবেশনের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ও প্রধান তথ্য কমিশনার ড. গোলাম রহমান বলেন, ‘এটা আগাম চিন্তার প্রতিফলন। এ ধরনের সংবাদ হতে পারে। এক্ষেত্রে তথ্য হতে হবে নির্ভরযোগ্য তবে যদি কোনো তথ্য পাওয়া যায় এবং সেটা প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা থাকে তা প্রকাশ করা ঠিক নয়।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হেলেনা ফেরদৌসী জানান, ‘নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে যে কোনো আগাম প্রতিবেদন করা যায়। তবে কোনো তথ্যসূত্র ছাড়াই প্রতিবেদন প্রকাশ ঠিক নয়।’ ২২ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর লিড নিউজের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের প্রতিবেদন করা যেতে পারে।’
কিছু কাকতালীয় ঘটনা
মনজুরুল আহসান বুলবুল সমালোচনা করতে গিয়ে একটি বহুল প্রচারিত দৈনিকের প্রথম পাতায় একই দিনে প্রকাশিত দু’টি খবরের দু’টি প্যারা উদ্ধৃত করেছেন।
১.’….. টানা দুবারের সাধারণ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্থলে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদেরকে পরবর্তী দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে । দলের নীতি নির্ধারক ফোরামের একাধিক নেতা ..নিশ্চিত করেছেন।’-
২. ‘….. তবে খোদ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীই বলছেন, এ সব শোনা কথার গুজব। .. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সেই সিদ্ধান্ত ঘোষনার আগে কোন কিছুই নিশ্চিত নয়।’
এখানে আমি আবারো বলে নিই। এই দু’টি উদ্ধৃতি কিন্তু একই দিনে একই পত্রিকায় প্রকাশিত দু’টি খবর থেকে নেয়া, একই খবরের নয়। একই খবরের হলে বলা যেত একই খবরের কন্ট্রাডিকশান। আর তাই যদি হতো তাহলে সেই খবরের যথার্থতা নিয়ে সহজেই প্রশ্ন তোলা যেত। এখন যেটা হয়েছে তা হলো এক ধরণের সার্বিক কন্ট্রাডিকশন।
কাকতালীয় ঘটনা যেভাবে মিলে যায়
সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেননি। তবে আমি তার দেয়া দু’টি উদ্ধৃতিই বাংলাদেশ প্রতিদিনের ২২ অক্টোবরের প্রথম পাতায় প্রকাশিত দুটি খবরের মধ্যে পেয়েছি। হতে পারে তিনি অন্য কোথাও থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন। তবে আমি খুঁজে পেয়েছি বাংলাদেশ প্রতিদিন-এ।
‘শেখ হাসিনা সভাপতি কাদের সম্পাদক হচ্ছেন’ ২২ অক্টোবর এই শিরোনামে প্রকাশিত খবরের ভিতরে লেখা আছে-‘ টানা দুবারের সাধারণ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্থলে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদেরকে পরবর্তী দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে । দলের নীতি নির্ধারক ফোরামের একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন।’
আর এই খবরটির ঠিক নিচে আরেকটি শিরোনাম ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনার’। এই খবরের ভিতরে- ‘তবে খোদ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীই বলছেন, এ সব শোনা কথার গুজব। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সেই সিদ্ধান্ত ঘোষনার আগে কোন কিছুই নিশ্চিত নয়।’ – এই লাইনগুলো রয়েছে।

untitledooooo
Speculative  বনাম Scoop

তথ্য সংগ্রহ এবং যাচাই করা একটি জটিল কাজ। তথ্য যাচাই করে তা যথার্থ প্রতীয়মান হলেই সংবাদ মাধ্যম প্রকাশ করে। আর সেই তথ্যের উৎস হতে পারে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ডকুমেন্ট, আলমাতসহ আরো অনেক কিছু। তথ্যের যথার্থতা নির্ধারণেরও অনেক পদ্ধতি এবং কৌশল আছে। সেটা আরো বিস্তারিত একাডেমিক আলোচনা।
বাংলাদেশ প্রতিদিন আওয়ামী লীগের হবু সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ২২ অক্টোবর যে খবর পরিবেশন পরিবেশন করেছে তাকে হয়তো কেউ Speculative নিউজ বলতে চাইবেন। কিন্তু আমি তা বলবো না। আমি এটাকে বলতে চাই Scoop নিউজ। তবে খবরে ওবায়দুল কাদেরের সাধারণ সম্পাদক হয়ওয়ার শতভাগ যে নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে তার সমর্থনে কোন গ্রহণযোগ্য কোনো সোর্সের সরাসরি কমেন্ট ছিলনা। এটা খবরটির একটি দুর্বলতা। কিন্তু সেটা দুর্বলতা নাও হতে পারে যদি প্রতিবেদকের হাতে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ থাকে। কারণ নির্ভরযোগ্য কেউ সঠিক তথ্য দিয়ে উদ্ধৃত হতে নাও চাইতে পারেন। কিন্তু এই ধরণের খবরে রিস্ক থেকেই যায়। কারণ কোনো ঘটনা অফিসিয়ালি প্রকাশ করার আগে আগাম সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। আর এই রিস্ক কোন সংবাদ মাধ্যম কতটা নেবে সেটা তাদের ওপর নির্ভর করে। নির্ভর করে যে সোর্স থেকে তারা খবর নিচ্ছেন তা কতটা যথার্থ এবং উদ্দেশ্য নিরপেক্ষ। তবে একটি সংবাদ মাধ্যম যখন এধরণের খবর পরিবেশন করে তখন তা ওই প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকদের অগোচরে হয়না। তার মানে হলো তারাও রিস্কটি নিতে চান।
সংবাদ মাধ্যমের এই রিস্কের ব্যাপারে বাইরে থেকে সমালোচনার তেমন কিছু নেই। কারণ এর ফলও ওই সংবাদ মাধ্যমকেই ভোগ করতে হয়। আর কোনো সরাসরি উদ্ধৃতি ছাড়া শুধুমাত্র সোর্সের ওপর ভিত্তি করে খবর পরিবেশনের নজীর সারা দুনিয়ায়ই আছে। আর তার পরিবেশন কৌশলও যার যার মত। একই সঙ্গে এধরণের খবর পরবর্তীকে যথার্থ যেমন হয়, তেমনি ভুলও হয়।
কিন্তু প্রশ্ন রয়েছে আরেকটি জায়গায়। তাহলো আরেকটি খবর যা একদিনে বাংলাদেশ প্রতিদিনে ছাপা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন শেখ হাসিনা। শুধু সাধারণ সম্পাদক নয়, সব বিষয়ে। তবে প্রতিবেদনটি পড়ে আমার মনে হয়েছে এটা কাউন্সিলর এবং ডেলিগেটদের সঙ্গে কথা বলে করা প্রতিবেদন। কয়েকজনকে উদ্ধৃতও করা হয়েছে। আর তাদের নাম পড়ে মনে হয়েছে তারা নীতি নির্ধারকদের কেউ নন। এটা কি তাহলে আগের খবরের সঙ্গে কন্ট্রাডিকটরি?

untitledzzzz
কেন হবে আহা সাংবাদিকতা
একই দিনে বাংলাদেশ প্রতিবেদনে প্রকাশিত দু’টি খবর পাশাপাশি রেখে পড়ে আমার মনে হয়েছে ‘শেখ হাসিনা সভাপতি কাদের সম্পাদক হচ্ছেন’- এই খবরটি নিজস্ব সোর্সের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আর ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনার’ এই খবরটি তৃনমূল নেতাদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আর আমার মনে হয়েছে এই দু’টি খবর কন্ট্রাডিকটরি নয়, বরং দুইটি খবরে প্রকৃতি দুই ধরণের।
আমার ব্যক্তিগত মত হলো প্রথম প্রতিবেদনের ভাষায় বাংলাদেশ প্রতিদিন আরেকটু কৌশলী হতে পারতো সেইফ সাইডে থাকার জন্য। কিন্তু সেটা তারা করেননি তাদের তথ্য এবং বিবেচনার জায়গা থেকে। সেখানে আমার কী করার আছে। আর আহা সাংবাদিকতারই(!) বা কি হলো এখানে! বরং এটা নিয়ে একাডেমিক ডিবেট হতে পারে। এবং হওয়া উচিৎ।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের সোর্সের ওপর নির্ভর করে প্রকাশ করা খবরটি সঠিক বলে এখন প্রতীয়মান হয়েছে। কারণ ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছে। কিন্তু বিষয় সেটা নয়। ওবায়দুল কাদের যদি সাধারণ সম্পাদক নাও হতেন তাহলেও কি খবরটিকে আমরা উড়িয়ে দেব? আমি বলছি , না। কারণ পরিস্থিতি বলতে একটা কথা আছে। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নামতো আলোচনায় ছিলোই। অনেক সংবাদমাধ্যম রিপোর্টও করেছে।
তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তনও হতে পারতো। আর যদি তাই হতো তাহলেও বলা যেতনা আহা সাংবাদিকতা! কারণ শেষ মুহুর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের নজীরের কোনো অভাব নেই। তাই সাংবাদিতায় সেইফ সাইডে থাকা ভালো। যদি ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক না হতেন তাহলে সেইফ সাইডে না থাকার যে অপেশাদার সাংবাদিকতা তা মাশুল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দিতে হতো। বাংলাদেশ প্রতিদিন কেন সেই সেইফ গার্ড নেয়নি সেটার জববাটা তারাই ভালো দিতে পারবেন।
মনজুরুল আহসান বুলবুল যেভাবেই হোক সাংবাদিকতার বিষয় নিয়ে, ধরণ নিয়ে, পরিবেশন কৌশল নিয়ে কথা বলেছেন। যা আমাকে আশাবাদী করে। তিনি আমার সাংবাদিকতার গুরু। তাঁর হাত ধরেই সংবাদ-এ আমার সাংবাদিকতার হতেখড়ি। বাংলাদেশে আহা সাংবাদিতার(!) অনেক উদারহণ আছে। কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রীর এক  সংবাদ সম্মেলনে আমরা সাংবাদিকতার অনেক কিছু নতুন করে দেখলাম। আশা করি তিনি আরো প্রকৃতই আহা সাংবাদিকতা(!) নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখবেন। অগ্রজদের লেখা আমাদের আলোর পথ দেখাবে।
কলাবাগান, ঢাকা
২৪.১০.১০১৬

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s